কুতুবদিয়া বাচলে বাংলাদেশ বাচঁবে @ কারণ কুতুবদিয়া হচ্ছে মূল ভূখন্ডের গাইডওয়াল। 

প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্য্যে ভরপুর কুতুবদিয়া বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্হিত অবহেলিত একটি দ্বীপ।প্রায় এক লক্ষ অধিবাসীর এ দ্বীপের মানুষরা যুগ যুগ ধরে বন্ঞিত মৌলিক অধিকার থেকে।এ দ্বীপের আশেপাশে এলাকায় আধুনিকতার ছোয়া লাগলেও এ দ্বীপের মানুষরা সেই ছোয়া থেকে ছিল যোজন যোজন দূরে। সাগরগর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারেকুতুবদিয়া দ্বীপ..দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে কুতুবদিয়া দ্বীপ অঞ্চল। বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে দ্বীপটির দক্ষিন অঞ্চলের অধিকাংশ এলাকা। পাশাপাশি হুমকীর মুখে পড়ছে দ্বীপের একমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদণ কেন্দ্র বায়ুবিদ্যুৎ সহ লবণ মাঠ, মৎসঘের এবং ঘোটা দ্বীপঅঞ্চলের বসতবাড়ী। ইতিমধ্যে দ্বীপের বাতিঘর সহ অধিকাংশ জায়গা সাগরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অনেক পরিবার বাস্তুহারা হয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকা পেকুয়া, চকরিয়া ও পার্বত্যাঞ্চলে বসবাস করতেছে। চরম দূর্ভোগে দ্বীপঅঞ্ছলের মানুষ। 
প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাচ্ছে জোয়ার-ভাটা, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ঝড়োহাওয়ার সাথে। আরো বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে আসন্ন বর্ষা মৌসুমের ঝড়োহাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসে। একসময় সাগর উত্তাল থাকে। এমন পরিস্তিতি থেকে উত্তরণ অতীব প্রয়োজন।অথচ এ দ্বীপ আধুনিকতার সেই ছোয়া পেলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের রাখতে পারত গুরুত্বপূর্ণ এক ভূমিকা।বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বাংলাদেশের মোট লবণ উৎপাদনের প্রায় ১৫%লবণ উৎপাদন হয় কুতুবদিয়ায়।আমরা বিভিন্ন প্যাকেটের যে লবণ খাই এর অধিকাংশই আয়োডিন বিহীন।অথচ বিদ্যুৎ ব্যাবস্হায় যদি, কুতুবদিয়ায় উৎপাদিন এ লবণ কুতুবদিয়া থেকে প্যাকেটজাত হয়ে সারাদেশে প্রায় ২৬% মানুষের আয়োডিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব হতো।

রিসংখ্যান থেকে আরো দেখা যায়, বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১৯% মৎস্য কুতুবদিয়া চ্যানেল থেকে আরোহন করা হয়।বৃহত্তর চট্টগ্রামের সামুদ্রিক মাছের চাহিদার পুরোটায় মিটায় কুতুবদিয়ার জেলেরা।চট্টগ্রাম থেকে মাছ ব্যবসায়ীরা নৌকা নিয়ে সরাসরি কুতুবদিয়া চ্যানেলে গিয়ে সেখানে জেলেদের থেকে মাছ নিয়ে আসে।যেটা পুরো চট্টগ্রামের সামুদ্রিক মৎস্য চাহিদা পূরণ করে।


ছাড়া কুতুবদিয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান ও পাওয়া যায়।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর কুতুবদিয়াকে পর্যটন শিল্পে বিকশিত করলে এ শিল্পে আয়ের গুরুত্বপুর্ণ অংশ হতে পারে কুতুবদিয়া।একদিকে সমুদ্র,সমুদ্রের পাশে ঝাউয়ের সারি সারি বাগান দেখলেই মুহূর্তেই চোখ জুড়ে যাবে যে কারো।অপরদিকে রয়েছে মানুষের বৈচিত্র্য জীবন,লবণ চাষ পদ্ধতি,বাতিঘর,জেলেদের মৎস্য আরোহনের দৃশ্য,হযরত আবদুল মালেক শাহের দরবার শরীফ,বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি।একসাথে এত সৌন্দর্য়্যের সমাবেশ খুব কমই দেখা যায়।তাই এত এত বৈচিত্র্যের সমাবেশ যেখানে সেখানে অল্প বিনিয়োগ করলেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক সুতিকাঘারে পরিণত করা সম্ভব হত।বর্তমান সরকার সব জায়গায় উন্নয়ন করলেও কুতুবদিয়া ব রাবরের মতোই সেই উন্নয়ন থেকে বন্ঞিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যিনি উপকূলীয় এলাকার মানুষের প্রতি সহানূভুতিশীল।তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে নিম্নলিখিত কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছেঃ
"পর্যটন শিল্পে বিকশিত কর
কুতুবদিয়া রক্ষা কর"

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঘুরে আসুন কুতুবদিয়া বাতিঘর

কুতুবদিয়া হতে পারে দেশের অন্যতম পর্যটন জোন

২২ মার্চ যেসব ইউনিয়নে ভোট==কুতুবদিয়া উপজেলা