পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল ....পৃথিবীর ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড় "ম্যারি এন" এর আঘাতে লণ্ডভণ্ড কুতুবদিয়া উপকূল

ছবি
আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এ দিনে কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নেমে এসেছিল ভয়াবহ দুর্যোগ। প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ¡াস তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলীয় জনপদ। নিহত হয়েছিল কয়েক লাখ মানুষ। ভেসে গিয়েছিল ফসলের ক্ষেত, লাখ লাখ গবাদি পশু। সেই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ¡াসের তান্ডবে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফসহ আট উপজেলা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী-আনোয়ারাসহ উপকূলের হাজার হাজার গ্রাম লন্ডভন্ড হয়েছিল। ক্ষতি হয়েছিল কোটি কোটি টাকার সম্পদ। সে ভয়াল ২৯ এপ্রিল ২৪ বছরে পর্দাপন করলেও সামগ্রীক ঝুঁকিমুক্ত হয়নি উখিয়া-টেকনাফ ৮০ কিলোমিটার জনপদ। যার ফলে সমুদ্রের সাথে জীবনবাজি রেখে অনিশ্চিত জীবনযাপন করতে হচ্ছে প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে। এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন। দুঃসহ সে স্মৃতি এখনো কাঁদায় স্বজনহারা মানুষগুলোকে। আজ থেকে ২৪ বছর আগে ১৯৯১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের উপকূল দিয়ে দুঃস্বপ্নের মতো বয়ে গিয়েছিল এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ¡াস। ২৯ এপ্রিলের সেই ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আবারও উপকূলীয় মানুষের কাছে দিনটি ফিরে এসেছে। ২৯ এপ্রিলের মধ্যরাতে আঘাত হানা প্রকৃতির নিষ্ঠুর কষাঘাত প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ¡াসে তলি...

কুতুবদিয়া রক্ষায় স্থায়ী বেঁড়িবাধের পাশাপাশি বনায়ন জরুরী//=এম.নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া।

বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়,বেঁড়িবাধ ভেঙ্গে সমূদ্রের লোনা পানি লোকালয়ে ডুকে বসবাসের ঘর-বাড়ি,ক্ষেত-খামারসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশংকায়। গেল বছর স্থানীয় সাংসদের আপ্রাণ সহযোগিতায় উপকূলের বিধ্বস্ত বেঁড়িবাধের প্রায় সবকটি পয়েন্ট জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করলে দ্বীপের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ে। কিন্তু এ বছর এখনো পর্যন্ত বেঁড়িবাধের স্থায়ী কোন ব্যবস্থা না হওয়া আবারো ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো ভেঙ্গে লোনা পানিতে লোকালয় প্লাবিত হয়ে ক্ষতির আশংকা করছে স্থানীয় জনসাধারণ। তাছাড়া ভূমি প্রশাসনের দাখিলা বাণিজ্যের কবলে পড়ে উপকূলীয় বনবিভাগের বন ও বনভূমি চরমভাবে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহলে। ভূমিদস্যু, ভূমি প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অভিন্ন নীতির কারণে নতুনভাবে বনায়ন তো দূরের কথা যে টুকু রয়েছে তাও দিন দিন উজাড় হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। যদিও স্থানীয় বনবিভাগ দাবী করছে প্রতি বছর বনভূমিতে রোপন করা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা । কিন্তু বিভিন্ন উদ্যোগের পরেও চারাগুলো ঠিকাতে পারেনি বন...

আসছে বর্ষা- কুতুবদিয়ার সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ//=এম.নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া

ছবি
বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়,বেঁড়িবাধ ভেঙ্গে সমূদ্রের লোনা পানি লোকালয়ে ডুকে বসবাসের ঘর-বাড়ি,ক্ষেত-খামারসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশংকায়। গেল বছর স্থানীয় সাংসদের আপ্রাণ সহযোগিতায় উপকূলের বিধ্বস্ত বেঁড়িবাধের প্রায় সবকটি পয়েন্ট জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করলে দ্বীপের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ে। কিন্তু এ বছর এখনো পর্যন্ত বেঁড়িবাধের স্থায়ী কোন ব্যবস্থা না হওয়া আবারো ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো ভেঙ্গে লোনা পানিতে লোকালয় প্লাবিত হয়ে ক্ষতির আশংকা করছে স্থানীয় জনসাধারণ। তাছাড়া ভূমি প্রশাসনের দাখিলা বাণিজ্যের কবলে পড়ে উপকূলীয় বনবিভাগের বন ও বনভূমি চরমভাবে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহলে। ভূমিদস্যু, ভূমি প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অভিন্ন নীতির কারণে নতুনভাবে বনায়ন তো দূরের কথা যে টুকু রয়েছে তাও দিন দিন উজাড় হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। যদিও স্থানীয় বনবিভাগ দাবী করছে প্রতি বছর বনভূমিতে রোপন করা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা । কিন্তু বিভিন্ন উদ্যোগের পরেও চারাগুলো ঠিকাতে প...