পোস্টগুলি

মে, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কুতুবদিয়ায় বেড়িবাঁধ সহ ছয় দফা দাবিতে ঢ়াকা বিশ্ববিদ্যালয়ের _টিএসসি রাজু ভাস্কর্যের সামনে ‪‎মানব্বন্ধনের‬ ।

ছবি

কুতুবদিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ও আহতদের মাঝে জামায়াতের নগদ অর্থ বিতরন :

ছবি
জামায়াতে ইসলামী কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার উদ্দ্যোগে আজ ২৩ মে , সোমবার ঘূর্ণিঝড় ” রোয়ানুতে ” নিহত ও আহতদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরন করা হয়েছে । এসময় উত্তর ধুরুংএ নিহত মোঃ ইকবালের স্ত্রী নার্গিস আকতার , মৃত সিফা আকতারের পিতা আব্দুল কাদের , কৈয়ারবিলে নিহত একে ফজলুল হকের স্ত্রী ছেনু আকতার , আলী আকবর ঢেইলে নিহত শফিউল আলমের স্ত্রী রাশেদা বেগমকে , নগদ ২৫ হাজার টাকা করে এবং আহতদের মাঝেও   জামায়াতের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয় । এ উপলক্ষে এক সভা ধুরুংবাজার জামায়াত কার্যালয়ে উপজেলা আমির মাওলানা আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয় । এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য জেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারী আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন , দুর্গত মানবতার সেবায় সরকার ও দল - মত নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে । ক্ষুদ্র সহযোগীতা নিয়ে জামায়াতে ইসলামী আপনাদের সহযোগীতায় এগিয়ে এসেছে । আর্ত - মানবতার সেবায় জামায়াতে ইসলামী অতিতেও নিয়োজিত ছিল , আগামীতেও থাকবে । তিনি বলেন , জামায়াতে ইসলামীর উপর আজ ...

কুতুবদিয়ায় প্রায় এক লাখ মানুষ পানি বন্দি।। হাজার হাজার মানুষ গৃহহারা এখনো পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় দূর্গত এলাকা কুতুবদিয়ায় কোন ধরনের সাহায্য পৌছায়নি।

ছবি
আজ কুতুবদিয়ার ভয়ংকর করুণ রূপ দেখে খুবই মর্মাহত হলাম । বিশেষ করে কৈয়ারবিল , কুতুবদিয়ার দুই প্রান্ত উত্তর ধূরং এবং তাবলচরের অবস্থা খুবই শোচনীয় । বেড়িবাধের উপর ছোট   ছোট চালার তৈরী বাড়িগুলো আজ বঙ্গোপসাগরের পানিতে মিশে একাকার । সূর্য ঊঠা থেকে সারাদিন মেহনত করে আসা মানুষগুলোর রাতে একটু বিশ্রামের জায়গাটুকুও আজ বিলিন হয়ে গেলো । এই মানুষগুলোতো বড় শোবার ঘর , খাবার ঘর , বারান্দা এত্ত কিছু চাই না । নূন্যতম একটু মাথাগুজার ঠাঁয় পেলই যথেষ্ট । এই সব কিছুর জন্য দায়ী বড় বড় স্বার্থপর মোডলেরা । বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রচলিত বাক্য হল "উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ ।" কৈ , আমাদের কুতুবদিয়ার তো উন্নয়ন হওয়া দূরে থাক , মৌলিক অধিকার গুলো পূরণ হচ্ছেনা । অথচ ১ , ৭০ , ০০০ হাজার মানুষের প্রাণের আশ্রয়টুকু নিয়ে ভাবার সময় কারো নেই , দেখারও কেঊ নেই । আজ বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা বিড়ালের কথাটি বলি "আমি যদি খাইতে না পারি , তবে সমাজের উন্নতি লইয়া কি করিব ?" আগে নিরাপত্তা , টেকসই বেড়িবাধ নির্মাণ , খাদ্য , বাসস্থানের সংকট সঠিকভাবে সমাধান করা হউক , তারপরেই বাকি ঊন্নয়ন ।

অবিলম্বে কুতুবদিয়ায় ত্রাণ প্রেরণ করুন

ছবি
ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু এর আঘাতে দ্বীপ কুতুবদিয়া ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে।অবিলম্বে কুতুবদিয়া কে দুর্যোগ পূর্ণ এলাকা ঘোষণা দিয়ে ত্রাণ প্রেরণ এবং বিত্তশালীদের কে কুতুবদিয়ার অসহায় মানুষের সাহাযার্থে হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

রোয়ানুর আঘাতে উপকূলীয় এলাকা কুতুবদিয়ায় ব্যাপক ক্ষতি, নিহত ৩, দশ হাজার বসতঘর বিধ্বস্থ। লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি......।

ছবি
ঘূর্ণিঝড় রোয়ানোর কবল থেকে নিজেদের রক্ষা করতে গিয়ে কক্সবাজার জেলার দ্বীপ কুতুবদিয়ায় ২’ব্যক্তি মারা গেছেন। জেলা প্রশাসক মো.আলী হোসেন আজ ২১ মে বিকেল৩টায় এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন” নিহতদের একজন মাটির ঘর চাপা পড়ে মারা গেছেন এবং অন্যজন নৌকাযোগে নিরাপদ স্থানে যাতায়াতকালীন সময় দু’টি নৌকার মাঝখানে চাপা পড়ে মারা যান। এবং অন্য একজনের লাশ সাগরের ভেসে আসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্থান্তর করে। সংবাদ সম্মেলনে পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সাবিবুর রহমান রোয়ানের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে পাউবো’র ২৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে দাবি করেন। জেলায় এখনো ৬ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর থাবায় দ্বীপ কুতুবদিয়ায় এখন দূর্গত মানুষের ঘরে শোয়ার স্থানতো নেই-ই। নেই রান্নার চুলাও। রোয়ানুর পানিতে সব ছারকার হয়ে গেছে। সামর্থবানরা শুকনা খাবার নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। এবং অবিলম্বে কুতুবদিয়ায় ত্রাণ প্রেরণ ও দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে এই অঞ্চলের ভিকটিমদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। এ পর্যন্ত ৩ জনের লাশ এবং শতাধিক আহতের খবর পাওয়া গেছে। প...

কুতুবদিয়া বাচলে বাংলাদেশ বাচঁবে @ কারণ কুতুবদিয়া হচ্ছে মূল ভূখন্ডের গাইডওয়াল। 

ছবি
প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্য্যে ভরপুর কুতুবদিয়া বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্হিত অবহেলিত একটি দ্বীপ।প্রায় এক লক্ষ অধিবাসীর এ দ্বীপের মানুষরা যুগ যুগ ধরে বন্ঞিত মৌলিক অধিকার থেকে।এ দ্বীপের আশেপাশে এলাকায় আধুনিকতার ছোয়া লাগলেও এ দ্বীপের মানুষরা সেই ছোয়া থেকে ছিল যোজন যোজন দূরে। সাগরগর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারেকুতুবদিয়া দ্বীপ.. দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে কুতুবদিয়া দ্বীপ অঞ্চল। বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে দ্বীপটির দক্ষিন অঞ্চলের অধিকাংশ এলাকা। পাশাপাশি হুমকীর মুখে পড়ছে দ্বীপের একমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদণ কেন্দ্র বায়ুবিদ্যুৎ সহ লবণ মাঠ, মৎসঘের এবং ঘোটা দ্বীপঅঞ্চলের বসতবাড়ী। ইতিমধ্যে দ্বীপের বাতিঘর সহ অধিকাংশ জায়গা সাগরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অনেক পরিবার বাস্তুহারা হয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকা পেকুয়া, চকরিয়া ও পার্বত্যাঞ্চলে বসবাস করতেছে। চরম দূর্ভোগে দ্বীপঅঞ্ছলের মানুষ।   প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাচ্ছে জোয়ার-ভাটা, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ঝড়োহাওয়ার সাথে। আরো বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে আসন্ন বর্ষা মৌসুমের ঝড়োহাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসে। একসময় সাগর উত্তাল থাকে। এমন পরিস্তিতি থেকে উত্তরণ অত...