পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কুতুবদিয়া হতে পারে দেশের অন্যতম পর্যটন জোন

ছবি
দেশের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই দ্বীপের পশ্চিম উপকূল ঘেঁষে প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সমূদ্র সৈকত। লবণ শিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ এ কুতুবদিয়ায় জীব বৈচিত্র্যের পাশাপাশি রয়েছে ঐতিহাসিক বাতিঘর, প্রাচীন স্থাপত্য কালারমার মসজিদ, বিশাল মৎস্য ভান্ডার। এছাড়াও রয়েছে দেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ পাইলট প্রকল্প। দৃষ্টিনন্দন সারি সারি ঝাউ বাগান ঘেরা এই দ্বীপে সম্প্রতি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সেন্টমার্টিনের তুলনায় কুতুবদিয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের দিক দিয়ে কোন অংশেই কম নয়। সমূদ্র বেষ্টিত ৬ ইউনিয়ন বিশিষ্ট কুতুবদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে রয়েছে ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সমূদ্র সৈকত। দ্বীপের পূর্বে চ্যানেল সংলগ্ন কুতুব আউলিয়ার সুযোগ্য উত্তরসুরি হযরত শাহ আবদুল মালেক আল কুতুবী (রহঃ) এর মাজার শরীফ। মাজারের পূর্বদিকে বিসিক’র বিশাল লবণ উৎপাদন প্রদর্শনী খামার। লবণ মৌসুমে প্রতিদিন দেশী-বিদেশী, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ ও কবি লেখক লবণ উৎপাদন প্রক্রিয়া স্ব-চোখে দেখতে আসেন। নগর জীবনের কর্মব্যস্থতার ফাঁকে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের...

২২ মার্চ যেসব ইউনিয়নে ভোট==কুতুবদিয়া উপজেলা

ছবি
আসছে ২২ মার্চ  প্রথম পর্যায়ে ৭৫২টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণ করা হবে। সারা দেশে চার হাজার ৫৪৬টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে চলতি বছর মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে চার হাজার ২৭৫টি ইউনিয়ন পরিষদের। ছয়টি ধাপে এগুলোতে নির্বাচন করবে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা তাঁদের এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি নির্ধারণ করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করবেন। প্রথম পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র বাছাই ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি, আপিল দাখিল ২৫ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি, আপিল নিষ্পত্তি ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১মার্চ। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ০২ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ ৩ মার্চ এবং ভোটগ্রহণ ২২ মার্চ। এই প্রথমবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে শুধু নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। কোনো রাজনৈতিক দল কোনো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন প্রদান করতে পারবে না।

কুতুবদিয়া বাতিঘর

ছবি
রাতের বেলা জাহাজের নাবিকদের পথের সংকেত প্রদর্শনের জন্য সমুদ্র উপকূলে উঁচু টাওয়ার নির্মাণ করে তার ওপরে আলো জ্বেলে রাখা হয়। আর সংকেত প্রদানকারী এই টাওয়ারটিই হলো বাতিঘর। বাংলাদেশের এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ বাতিঘর হলো কুতুবদিয়া বাতিঘর। রাতের বেলা বঙ্গোপসাগরে চলাচলকারী জাহাজকে সংকেত প্রদর্শনের জন্য এই বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়। কর্ণফুলী মোহনার ৪০ মাইল দূরে কুতুবদিয়া দ্বীপে এটি নির্মিত হয়। ক্যাপ্টেন হেয়ারের পরিচালনা ও ইঞ্জিনিয়ার জে এইচ টুগুডের নির্দেশনায় এই বাতিঘর নির্মাণ করা হয়। পাথরের ভিত্তির ওপর বসানো এই বাতিঘরের উচ্চতা ১২১ ফুট। ১৮৪৬ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। বাতিঘরটি নির্মাণে সেই সময়ে ব্যয় হয় চার হাজার ৪২৮ টাকা। পাকিস্তান আমলে লোহা দিয়ে একটি টাওয়ার বানিয়ে তার ওপর আধুনিক বাতিঘর স্থাপন করে প্রাচীন বাতিঘরটি বাতিল করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও ক্রমাগত ভাঙনের ফলে পরিত্যক্ত বাতিঘর ভবনটি ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর ও সামুদ্রিক এলাকায় মোট পাঁচটি বাতিঘর আছে।

আলো জ্বলুক নিয়মিত=বাতিঘর

গভীর সমুদ্রে চারদিকে শুধু পানি থৈ থৈ, কোনো কূলকিনারা নেই, পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ চেনার কোনোই উপায় নেই, নাবিকরা দিশেহারা, কোনটা তাদের সঠিক পথ_ সেই ভয়ানক বিপদ মুহূর্তে নাবিকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে কুতুবদিয়া বাতিঘর। বিপদের বাতি হিসেবে কুতুবদিয়া বাতিঘরটি বিগত কয়েক শত বছর ধরে জ্বলছে, মাঝে মধ্যে নিভছে, আবার জ্বলছে। এখন আবার নিভে গেছে। ডেসটিনির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ বাতিঘরটি এখন শুধু কালের সাক্ষী হয়ে আছে, এটি নিয়মিত জ্বলে না। সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে সুবিধার জন্য ব্রিটিশরা এ বাতিঘর নির্মাণ করেছিল। দূর থেকে এই বাতি দেখে জাহাজের নাবিকরা পথভ্রান্ত না হয়ে সঠিক পথ নির্ণয় করতে পারবেন সেটিই ছিল নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য। সুতরাং এ বাতিঘর শুধু কালের সাক্ষী নয়, সমুদ্রপথে সঠিক পথে চলাচলের একটি অতি জরুরি বিষয়। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বাংলাদেশের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ বাতিঘরটির অবস্থান এর ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম, ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র। ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাস্তবায়নাধীন সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর। এ ছাড়াও ব...

কুতুবদিয়ায় ভ্রমণ

ছবি
কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া। প্রায় ২১৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ছোট্ট এই দ্বীপে আছে নানান বৈচিত্র্য। নির্জন বেলাভূমি, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র, লবণ চাষ, বাতিঘর, কুতুব আউলিয়ার মাজারসহ আছে দেখার মতো অনেক কিছু। কুতুবদিয়া চ্যানেল কুতুবদিয়ার চ্যানেল  বেশ বড়। সারা বছর বেশ উত্তাল থাকলেও শীতে মোটামুটি শান্তই থাকে। মাগনামা ঘাট থেকে এই চ্যানেল পাড়ি দিয়েই পৌঁছতে হবে দ্বীপে। সমুদ্র সৈকত কুতুবদিয়ার সমুদ্র সৈকত উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। বেশিরভাগ এলাকাই বেশ নির্জন। পর্যটকের আনাগোনা নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে শুধু আছে জেলেদের কর্মব্যস্ততা। কোথাও কোথাও সৈকতের পাশে আছে ঝাউগাছের সারি। কুতুবদিয়া সৈকতের আরেকটি প্রধান বৈশিষ্ট হল প্রচুর গাংচিল ঘুরে বেড়ায় সেখানে। নির্জনতার সুযোগে সৈকতের কোথাও কোথাও লাল কাঁকড়াদের দল ঘুরে বেড়ায় নির্ভয়ে। সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার জন্য কুতুবদিয়ার সৈকত আদর্শ জায়গা। কুতুবদিয়ার আলী অকবরের ডেল এলাকায় দেশের সবচেয়ে বড় বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ছবি: মুস্তাফিজ মামুন/ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ ...

কুতুবদিয়ার ঐতিহাসিক বাতিঘর কথকতা

কুতুবদিয়ার বঙ্গোপসাগরের বুকদিয়ে চলাচলরত দেশি-বিদেশি নাবিকদের পথের সন্ধান দিয়ে আসা দুই শতাব্দীর প্রাচীনতম বাতিঘরটি অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও অযত্ন-অবহেলায় সাক্ষী হয়ে ঠাঁই নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ব্রিটিশ সরকার ১৮৪৮ সালে কুতুবদিয়ার দক্ষিণ বুরুং আলী ফকির ডেইলের পশ্চিম সমুদ্রসৈকতে বার্মিংহামের ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে এটি নির্মাণ করেছিল। ৮ তলার গোল আকৃতির বাতিঘরটি উচ্চতা হলো ১২০ ফুট এবং মাটির নিচেও একটি তলা ছিল। বাতিঘরটির আলো চতুর্দিকে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়াত। ১৯৭২ সালে স্টিল অ্যাঙ্গেল দ্বারা পুনঃস্থাপন করা হয়। এ বাতিঘরের ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে দেশের প্রধান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর। ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র। ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাস্তবায়নাধীন সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর। এছাড়া বর্তমানে কুতুবদিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্রের সফল জরিপ কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

অযত্ন-অবহেলায় কুতুবদিয়া বাতিঘর

ছবি
কক্সবাজারের সাগরঘেরা দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার ঐতিহাসিক বাতিঘর বঙ্গোপসাগর পথে দেশি-বিদেশি নাবিকদের পথের সন্ধান দিয়ে আসছে বহুদিন ধরে। প্রায় দুই শতাব্দীরও পুরনো এ বাতিঘরটির প্রতি কারও তেমন নজর আছে বলে মনে হয় না। অযত্ন-অবহেলায় আলো জ্বলুক না জ্বলুক কালের সাক্ষী হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে বাতিঘরটি। সরেজমিন দেখা গেছে, কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধুরুং আলী ফকির ডেইলের গ্রামের পশ্চিম সমুদ্রসৈকতে বাতিঘরটির অবস্থান।জানা যায়, ব্রিটিশ সরকার ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে ৪ হাজার ৪২৮ টাকা ব্যয়ে ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে এটি নির্মাণ করেছিল, যা ছিল আট তলাবিশিষ্ট এবং গোলাকৃতির। উচ্চতা ১২০ ফুট। মাটির নিচেও একতলা ছিল। প্রতি তলার উচ্চতা ১৫ ফুট। এ বাতিঘরের আলো চতুর্দিকে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়াত। স্বাধীনতার আগে ঐতিহাসিক এ বাতিঘরটি ভেঙে পড়েছিল। এর এক কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বেড়িবাঁধের ভেতর ১৯৭২ সালে স্টিল অ্যাঙ্গেল দ্বারা এটি ফের স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এটিই সাগরপথে চলাচলকারী অসংখ্য মাঝি-মাল্লা ও দেশি-বিদেশি জাহাজের নাবিকদের পথ দেখায়। কুতুবদিয়া বাতিঘরের ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে দেশের প্রধান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর। ৩০ কিলোমিটার...

সমুদ্রস্ফীতি মোকাবেলায় অক্ষম বাংলাদেশের উপকূলীয় দ্বীপগুলো

ছবি
কুতুবদিয়া থানার ১নং উত্তর ধূরুং ইউনিয়নর ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আফাজ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় । বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় দ্বীপগুলো জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমুদ্রস্ফীতি মোকাবেলায় অক্ষম হয়ে পড়ছে। ফলে বেশিরভাগ দ্বীপই সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। যার ফলে লাখ লাখ মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে পড়বে। এতে অতিরিক্ত জনসংখ্যার ভারে ইতোমধ্যেই নুব্জ্য হয়ে পড়া বাংলাদেশ আরো বড় বিপদে পড়তে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে চলমান জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনেও আফ্রিকার সিসেলিস দ্বীপপুঞ্জ এবং বাংলাদেশসহ দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর উপকুলীয় দেশগুলোর বিশাল উপকূলীয় এলাকা সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ফরাসি টিভি চ্যানেল ফ্রান্স টোয়েন্টি ফোর এর অনলাইন সংস্করণে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় সোমবার। বাংলাদেশের পরিবেশ সচিব কামাল উদ্দিন ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাদের রয়েছে বিশাল উপকূলীয় সীমান্ত। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সর্বমোট প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ মানুষ বাস করে। এদের সকলকেই যদি পুনর্বাসন করতে হয় তাহলে তা হবে এক অবিশ্বাস্য বিশা...