কুতুবদিয়ার ঐতিহাসিক বাতিঘর কথকতা
কুতুবদিয়ার বঙ্গোপসাগরের বুকদিয়ে চলাচলরত দেশি-বিদেশি নাবিকদের পথের সন্ধান দিয়ে আসা দুই শতাব্দীর প্রাচীনতম বাতিঘরটি অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও অযত্ন-অবহেলায় সাক্ষী হয়ে ঠাঁই নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ব্রিটিশ সরকার ১৮৪৮ সালে কুতুবদিয়ার দক্ষিণ বুরুং আলী ফকির ডেইলের পশ্চিম সমুদ্রসৈকতে বার্মিংহামের ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে এটি নির্মাণ করেছিল। ৮ তলার গোল আকৃতির বাতিঘরটি উচ্চতা হলো ১২০ ফুট এবং মাটির নিচেও একটি তলা ছিল। বাতিঘরটির আলো চতুর্দিকে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়াত। ১৯৭২ সালে স্টিল অ্যাঙ্গেল দ্বারা পুনঃস্থাপন করা হয়। এ বাতিঘরের ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে দেশের প্রধান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর। ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র। ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাস্তবায়নাধীন সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর। এছাড়া বর্তমানে কুতুবদিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্রের সফল জরিপ কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন