পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

উপকূল বাঁচলে দেশ বাঁচবে//এ. এইচ. এম. হামিদুর রহমান আযাদ

বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি সততই দুর্যোগপ্রবণ। প্রতি বছরই বাংলাদেশে হানা দেয় কোনো-না-কোনো দুর্যোগ। দুর্যোগের লাগাতার আঘাতে কোটি কোটি মানুষের জীবন, সম্পদ, অধিকার মর্যাদা তথা বেঁচে থাকার মানবিক অধিকারটুকু পর্যন্ত বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। Intergovernment Panel on Climate Change (IPCC)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী উষ্ণায়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে চলা, আবহাওয়ার উপাদানগুলোর পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় বিশ্বের যে ক’টি দেশের পরিবেশ বিপর্যয়সহ জনমানুষের জীবন ও জীবিকা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তন্মধ্যে বাংলাদেশ, বিশেষ করে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল অন্যতম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০০১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ১৯টি উপকূলীয় জেলা। এ ১৯টি জেলার ১৪৭টি উপজেলায় দেশের মোট জনসংখ্যা এক-চতুর্থাংশের বেশি মানুষ বসবাস করে। ইতোমধ্যেই উপকূলীয় অঞ্চলসহ বাংলাদেশের সর্বত্র জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব লক্ষণীয়। ঘন ঘন ভূমিকম্প, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, জো...

কুতুবদিয়া----- ভৌগলিক পরিচিতি

ছবি
চট্টগ্রাম [বাংলাদেশ]  বিভাগের  কক্সবাজার  জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। বাংলাদেশের অতি নিকটবর্তী একটি দ্বীপ। কুতুবদিয়া চ্যানেল দ্বারা মূল ভুখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন।  ভৌগোলিক অবস্থান ২১.৮১৬৭ °  উত্তর দ্রাঘিমাংশ ৯১ ° ৮৫৮৩  পূর্ব  অক্ষাংশ । এর উত্তর, পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকে  বঙ্গোপসাগর , পূর্বে কুতুবদিয়া চ্যানেল, বাঁশখালী,  চকোরিয় া এবং  মহেশখালী   উপজেলা। এর মোট আয়তন ২১৫.৮ বর্গকিলোমিটার। দীর্ঘদিন ধরে নদীবাহিত পলিমাটি জমে, বাংলাদেশের মূলভূখণ্ডের সামান্যদূরে  বঙ্গোপসাগর - এ বুকে এই দ্বীপ জেগে উঠেছে। খ্রিষ্টীয় চতুর্দশ শতাব্দীর শেষের দিকে এই দ্বীপটি পুরোপুরি উঠে। তবে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষের দিকে, এই দ্বীপটি মানুষের বসবাস উপযোগী হয়ে উঠে। এরপর থেকে ক্রমে ক্রমে এই দ্বীপে মানুষের পদচারণা শুরু হয়। কথিত আছে, হযরত কুতুবুদ্দীন নামক জনৈক মুসলিম আধ্যাত্মিক পুরুষ এই দ্বীপে আস্তানা গড়ে তোলে। এই সময় এই দ্বীপে মগ ও পর্তুগীজদের চারণভূমি ছিল। কুতুবুদ্দীনের নেতৃত্বে আলী আকবর, আলী ফকির প্রমূখ শিষ্যদের নিয়ে এই দ্বীপে আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হন। এই সময় আরাকান থ...

কুতুবদিয়া দ্বীপ---তারুণ্যের সমকালীন চিন্তা

জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈরী প্রকৃতির অভিঘাতের কারণে বিরূপ রূপান্তর প্রক্রিয়ায় একটি জনপদের বিলীয়মান পরিণতি ও মানুষের হতশ্রী জীবনের বাস্তব ছবি  কুতুবদিয়া দ্বীপ। প্যারিসে যখন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে কার্বন নিঃসরণ ও অভিযোজন ক্ষমতা নিয়ে গভীর আলোচনায় মগ্ন, তখন আমাদের বাংলাদেশের দক্ষিণে একটি ছোট দ্বীপের ক্রমশ বিলীন হওয়ার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা এএফপি। ‘বাংলাদেশ আইল্যান্ড লুজিং ব্যাটেল টু স্টেস ক্লাইমেট টাইড’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত তিন দশকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ কুতুবদিয়ার এক চতুর্থাংশ বিলীন হয়ে গেছে সমুদ্রগর্ভে, জনপদ থেকে কয়েক হাজার মানুষ চলে গেছে অন্যত্র। বেসরকারি এই বার্তা সংস্থাটি সতর্ক করেছে এই মর্মে যে, আগামী ৫০ বছরে সমুদ্রগর্ভে পুরো দ্বীপটিই তলিয়ে যেতে পারে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে,  পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যাওয়া এলাকা থেকে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ঠাঁই নিয়েছে কক্সবাজার জেলা ও অন্যত্র। দ্বীপের লোকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ লাখে। বৈরী প্রকৃতির সঙ্গে নিরন্তর লড়াইয়ে দ্বীপবাসী দুর্বল হয়ে গেছে। সমুদ্রের ...

নীল জলে নীলাম্বরীঃ বাতিঘরের দেশে কুতুবদিয়া ------মিনহাজ

ঘুরাঘুরি আমার মজ্জাগত। ফুরসত পেলেই বেরিয়ে পড়ি। পৃথিবীতে এর চেয়ে মজার আর আকর্ষণীয় কিছু থাকতে পারে-এ আমার বিশ্বাস হয়না। ছাত্রজীবনের সেই উদ্দীপ্ত বাধাহীন ঘুরাঘুরির অফুরন্ত দিনগুলো যেন হঠাৎ সোনার শিকলে বাঁধা পড়ল কর্মজীবনে ঢুকার সাথেই। তবু হাজার ব্যস্ততা, যাপিত ক্লান্ত জীবনের ঘানি আমাকে কখনো দীর্ঘ সময় আটকে রাখতে পারেনি। কবি নজরুলের সেই বিখ্যাত কবিতাকে যেন আপ্ত বাক্য জেনেছি- "এই শিকল-পরা ছল, মোদের এই শিকল-পরা ছল এই শিকল পরেই শিকল তোদের করবো রে বিকল" আগেই ভেবে রেখেছিলাম এবার কুরবানির ঈদের ছুটিতে নতুন কোথাও ঢুঁ মেরে আসব-যেখানে আগে কখনো যাইনি। ৮ দিনের ছুটির ৫ দিনই ঈদের আগে সুতরাং ঈদের আগেই এই ছুটির সদ্ব্যবহার করতে হবে এটা নিয়ে আর কোন সংশয় ছিলনা। সিধান্তটা নিয়েই ফেললাম- এবার ঘুরে আসব কুতুবদিয়া আর মহেশখালী দ্বীপ। ভ্রমনে সঙ্গী নির্বাচন আমার দৃষ্টিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কাছাকাছি মানসিকতার না হলে পুরো ভ্রমণটি মাটি হতে পারে-আর এক্ষেত্রে আমার প্রশ্নহীন পছন্দ মামুন ভাই ওরফে মুশাররফ মামুন, আমার বাল্যবন্ধু ও খালাতো ভাই যে আমার অধিকাংশ খামখেয়ালি আর আকস্মিক ভ্রমণের দ্বিধাহীন সঙ্গী। তবে মামুন ভ...

Light House Of Kutubdia //কুতুবদিয়া দ্বীপ’ বিখ্যাত বাতিঘরের কারণে..........@

ছবি
কুতুবদিয়া দ্বীপ’ বিখ্যাত বাতিঘরের কারণে এ প্রবাদটি ছোটবেলায় বিভিন্ন পাঠ্য পুস্তকে লেখা ছিল। ইদানিং তেমনটি আর লেখা হয় না। কারণ বাতিঘরটি আর কুতুবদিয়াতে নেই। আছে বাতিঘরটির ভগ্নস্তূপ এলাকা নিয়ে গঠিত বাতিঘরপাড়া। কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা। চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ার দক্ষিণধুরং ইউনিয়নের আলী ফকির ডেইল নামক স্থানে আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়। ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল। কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল। সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো। ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো। শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।...

এক নজরে ৬নং আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন

ছবি
কালের স্বাক্ষী বহনকারী বঙ্গোপসাগরের  তীরে গড়ে  উঠা কুতুবদিয়া উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলো আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন ।কাল পরিক্রমায় আজ আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জ্বল। পর্যটন নগরীর মত অত্যন্ত সস্ভাবনাময় নান্দনিক ইউনিয়ন আলী আকবর ডেইল।বঙ্গোপসাগরের উত্তাল মোহনা ও খরস্রোতা  নদীর কুলে গড়ে ওঠা,ঙ্গোপসাগরের  তীরে অবস্থিত এই উপকুল একটি প্রাচীন জনপদ। সমুদ্র-নদীর অপরূপ মিলন মেলায় আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন যেন এক উপত্যক।কালের আবর্তে প্রকৃতির পরির্বতনের ফলে ধীরে ধীরে ভূখন্ডের আয়াতন কমতে থোকে,গত ১০০বছর পূরবে  যে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন ছিল তা এখন আর আগের মত নেই । একতৃতীয়াংশ বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে গেছে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন।গত ২০০৫ সালে সেই রয়ে যাওয়া অালী আকবর ডেইল ইউনিয়নের , ৩নং ওয়ার্ডের আবদুল হাদি সিকদার পাড়ায় আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পশ্চিম  পাশে বঙ্গেপসাগরের তীর ছোয়ে গড়ে ওঠে বায়ু বিদ্যুৎ প্রজেক্ট। আবার ২০১৫ সালে এসে সেই প্রজেক্টের অধিনে একই ক্ষমতা সম্পন্ন আর একটি বাযু বিদ্যুৎ প...

ঘুরে আসুন কুতুবদিয়া বাতিঘর

ছবি
বাতিঘরের সৌন্দর্য্য এবং কিছু জানা অজানা তথ্য। ঘর তো ঘরই তা আবার বাতিঘর হয় কেমন করে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চলুন ঘুরে আসি কুতুবদিয়া! প্রাচীনকাল থেকে চট্টগ্রাম ছিল একটি সমুদ্রবন্দর। খ্রিষ্টীয় নয় শতক থেকে আরব বণিকগন চট্টগ্রামের সঙ্গে বানিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করে। বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর (চৌদ্দ শতক) থেকে চট্টগ্রাম বন্দর একটি ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বন্দরে পরিণত হয়। সেকালে সামুদ্রিক জাহাজে উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ছিল না, অভিজ্ঞ নাবিকরা প্রাচীন প্রচলিত পদ্ধতিতে সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিতেন। ব্রিটিশ শাসনামলে বন্দরের শ্রীবৃদ্ধি ঘটলেও সমুদ্রে জাহাজ পরিচালনায় কোন সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার ব্যবস্থা ছিল না। ১৮২২ সালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলভাগ বিধ্বস্ত করে দেয়। প্লাবনের ফলে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় সমুদ্রবক্ষে পলি জমে সৃষ্টি হয় অনেক চর। বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন নতুন চর জেগে ওঠার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে দেশী-বিদেশি জাহাজ চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলের স্বার্থে ব্রিটিশ সরকার বাতিঘর স্থাপনের জন্য জরিপ কাজ পরিচালনা করে এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ২৫ মা...

এক নজরে ৫নং বড়ঘোপ ইউনিয়ন

ছবি
কুতুবদিয়া উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের অবস্থান। উপজেলার সমস্ত প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান সমূহ এই ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থিত। ইহার পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর উত্তরে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদ দক্ষিণে আলী আকবর  ডেইল ইউনিয়ন পরিষদ পূর্বে কুতুবদিয়া চ্যানেল। -ঃএক নজরে বড়ঘোপ ইউপি ঃ- ১। সাধারণ তথ্যঃ ক)  মোট আয়তনঃ ১৩.৮০ বর্গকিলোমিটার।(প্রায়) খ)  মোট  মৌজার সংখ্যাঃ ০১টি গ)  মোট গ্রামের সংখ্যাঃ ০৯টি ঘ)  মোট ঘর-বাড়ীর সংখ্যাঃ ৪০০০টি। ২। জনসংখ্যা বিষয়ক তথ্য (মোট হিসেবে)ঃ (সদ্য সমাপ্ত জরীপ) ক) নারীর সংখ্যাঃ ১২৭৪৯ জন খ) পুরুষের সংখ্যাঃ ১৩১২৫ জন গ) পরিবারের সংখ্যাঃ ৫০০০ টি (প্রায়) ঘ) নারী প্রধান পরিবারের সংখ্যাঃ ৮০০টি(প্রায়)। ৩। শিক্ষা বিষয়ক তথ্যঃ ক) শিক্ষার হারঃ ৬০% খ) ফাজিল মাদ্রাসাঃ০১টি গ) কলেজের সংখ্যাঃ ১টি ঘ) হাই স্কুলের সংখ্যাঃ ২টি ঙ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাঃ ৫টি চ)  বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাঃ ৫টি ছ) দাখিল/ ফোরকানিয়া মাদ্রাসার সংখ্যাঃ ৪০টি। ৪। যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ক)  মোট পাকা রাস্তার দৈর্ঘ্...

এক নজরে সাগরকন্যা কুতুবদিয়া

ছবি
কুতুবদিয়া উপজেলার পটভূমি দীর্ঘদিন ধরে নদীবাহিত পলিমাটি জমে, বাংলাদেশের মূলভূখণ্ডের সামান্যদূরে  বঙ্গোপসাগর - এ বুকে এই দ্বীপ জেগে উঠেছে। খ্রিষ্টীয় চতুর্দশ শতাব্দীর শেষের দিকে এই দ্বীপটি পুরোপুরি উঠে। তবে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষের দিকে, এই দ্বীপটি মানুষের বসবাস উপযোগী হয়ে উঠে। এরপর থেকে ক্রমে ক্রমে এই দ্বীপে মানুষের পদচারণা শুরু হয়। কথিত আছে, হযরত কুতুবুদ্দীন নামক জনৈক মুসলিম আধ্যাত্মিক পুরুষ এই দ্বীপে আস্তানা গড়ে তোলে। এই সময় এই দ্বীপে মগ ও পর্তুগীজদের চারণভূমি ছিল। কুতুবুদ্দীনের নেতৃত্বে আলী আকবর, আলী ফকির প্রমূখ শিষ্যদের নিয়ে এই দ্বীপে আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হন। এই সময় আরাকান থেকে পালিয়ে আসা মুসলমানদের একাংশ ভাগ্যান্বষণে এই দ্বীপে আসতে থাকে। জরিপ করে দেখা যায় —   আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, পটিয়া, চকরিয়া অঞ্চল থেকে অধিকাংশ আরাকানি মুসলমানদের সাথে বাঙালি মুসলমানরা এই দ্বীপে এসে বসতি স্থাপন করে। কালক্রমে কুতুবুদ্দীনের নামানুসারে লোকমুখে এই দ্বীপের নাম হয়ে যায় 'কুতুবুদ্দীনের দিয়া'। এক নজরে কুতুবদিয়া উপজেলা ০১     উপজলোর নাম     ...